ঢাকা-দোহার সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে সাধারণ জনগণ

তাইজুল ইসলাম উজ্জ্বল
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০২:৩৭ PM, ০১ ডিসেম্বর ২০২০
Exif_JPEG_420

শ্রীনগর উপজেলার ঢাকা-দোহার সড়কের কামারগাঁও-আল আমিন বাজার অংশের প্রায় (দেড় কি.মি.) সড়কের বেহাল দশা।দীর্ঘ একবছরেরও বেশি সময় ধরে রাস্তাটির বেহাল দশার কারনে অতিষ্ঠ এ পথে যাতায়াত করা যাত্রীরা।খোজ নিয়ে জানাযায় গত ২০১৮-২০১৯ সালে শ্রীনগর থেকে দোহার পর্যন্ত সড়কের সংস্কার কাজ করা হয়।এসময় কামারগাঁও হরিসভা থেকে তালুকদার বাড়ি পর্যন্ত আঁকাবাকা রাস্তা সোজা করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।উদ্যোগ গ্রহণের ফলে কামারগাঁও হরিসভা থেকে আল আমিন বাজার পর্যন্ত সড়কটি সংস্কার কাজ বাকি থেকে যায়।ভাঙ্গাচোরা সড়ক সংস্কার না করার ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এ পথে যাতায়াত করা হাজার হাজার যাত্রীদের।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন সড়কটি দীর্ঘ একবছরেরও বেশি সময় ধরে সংস্কার না করার ফলে খানাখন্দে ভড়ে গেছে বিভিন্ন অংশ।যেখানে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায়।এতে করে প্রায় সময়েই দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছেন পথচারীরা।শীত মৌসুমে যানবাহন চলাচলের ফলে ধুলাবালিতে একাকার হয়ে যায় পুরো এলাকা।পথচারীদের পরতে হচ্ছে নানাবিধ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে।তার মধ্যেও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন।

সরজমিনে সড়কটি পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কটির বেহাল দশা।সড়কটির অনেক জায়গায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।যেখানে চলাচল করা খুবি কষ্ট সাধ্য ব্যাপার।খুব বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয় যানবাহনের চালক, অসুস্থ রোগী, বয়স্ক লোকজন ও শিক্ষার্থীদের।ষাটোর্ধ এক বৃদ্ধ জানান, তার এ পথে প্রতিদিন যাতায়াত করতে হয় বেশ কয়েকবার।যা তার পক্ষে খুবি কষ্ট সাধ্য ব্যাপার হয়ে দারিয়েছে।অ্যাম্বুলেন্সে রোগীদের এ পথে আনা নেয়া করাটা খুবি ঝুঁকির কাজ বলেও জানান স্থানীয়রা।মিশুক চালক হিরু মিয়া দুঃখ করে বলেন এ সড়ক আর ঠিক হবেনা।আর ঠিক হলেও তত দিনে আমার গাড়ির অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে।

স্থানীয় আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান, কিছু দিন আগে জমি অধিগ্রহণের জটিলতার কারনে সড়ক ও জনপথ বিভাগ স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও রাস্তা সংস্কার কাজে যাদের জায়গা জমি পরেছে তাদের সাথে আলোচনায় বসেছিল।যেখানে স্থানীয় লোকজন তাদের জায়গা ছেরে দেয়ার বিনময়ে সরকারের কাছে রাস্তা সংস্কার হওয়ার আগেই অর্থের দাবি করেন যা সড়ক ও জনপথ বিভাগ রাস্তা সংস্কার হওয়ার পরে পরিশোধ করতে আগ্রহ প্রকাশ করে।যা নিয়ে সঠিক সমঝোতা না হওয়ার ফলেই রাস্তার কাজ হচ্ছে না।দুই পক্ষেরি উচিৎ সমঝোতার ভিত্তিতে সঠিক সমাধানে আশা।এই সড়কের মাধ্যমে ঢাকা জেলা ও মুন্সীগঞ্জ জেলার সংযোগ ঘটেছে।সড়কটি একটি ব্যস্ততম সড়ক।সড়কটি দ্রুত সংস্কার হওয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মনোয়ার হোসেন শাহাদাৎ জানান, আঁকাবাকা রাস্তা সংস্কার কাজের জন্য যাদের জায়গা পরেছিল তারা প্রথমে জায়গা দিতে রাজি না হলেও বর্তমানে তারা রাজি হয়েছে।কিন্তু এখন সড়ক ও জনপথ বিভাগের কোন ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য শ্রীনগর সড়ক ও জনপথ উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সৈয়দ আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রথমে জনগণ কাজ করতে দেয়নি পরে একোয়ারের প্রক্রিয়ায় করছে গভমেন্ট একোয়ারের প্রক্রিয়া চলছে একোয়ার হইলে পরে কাজ হয়ে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন :